আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'মে মাসের নির্ধারিত পাঁচ এলএনজি কার্গোও আসছে না কাতার-ওমান থেকে'
'মে মাসের নির্ধারিত পাঁচ এলএনজি কার্গোও আসছে না কাতার-ওমান থেকে' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দীর্ঘমেয়াদে সরবরাহকারী দেশ কাতার ও ওমান থেকে আগামী মে মাসে নির্ধারিত পাঁচ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আসছে না।
মে মাসের শুরু থেকে মাঝামাঝি সময়ের জন্য নির্ধারিত ওই পাঁচ কার্গোর সরবরাহকারীরা ফোর্স মেজর ঘোষণা করেছে।
এর মধ্যে কাতার এনার্জি থেকে দুই কার্গো ও ওমানের ওকিউ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল থেকে তিন কার্গো আসার কথা ছিল।
চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে দীর্ঘমেয়াদে সরবরাহকারীদের কাছ থেকে এ বিষয়ে পেট্রোবাংলাকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ফোর্স মেজর বলতে যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির কারণে চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ দিতে না পারার আইনি অবস্থা বোঝায়।
এদিকে দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে এলএনজি কার্গো পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় এরই মধ্যে পেট্রোবাংলা স্পট মার্কেট থেকে এসব কার্গো সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এরই মধ্যে দুটি কার্গো স্পট থেকে কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
'লোডশেডিং ভোগাবে আরও এক সপ্তাহ' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। এটা ধরে নিয়ে চাহিদা পূরণের পরিকল্পনা করেছিল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে ১৫ হাজার মেগাওয়াটের সক্ষমতাও স্পর্শ করতে পারছে না বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। মাঝারি গরমের মধ্যেই এখন বিদ্যুতের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে ১ হাজার মেগাওয়াট।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এপ্রিলের শুরু থেকেই গ্রাম কিংবা শহরে বারবার লোডশেডিং শুরু হয়েছে। শহরে ভোগান্তির চিত্র তুলনামূলক কম হলেও গ্রামে দিনে অন্তত দু-তিনবার বিদ্যুতের আসা-যাওয়া নিত্য ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
এপ্রিলের প্রথম দিনে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ২১৮ মেগাওয়াট। সেদিন তেমন লোডশেডিং ছিল না। পরদিন বৃহস্পতিবার চাহিদা পৌঁছায় ১৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াটে।
সেদিন ঘণ্টায় ৩৭৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং শুরু হয়। রাতের দিকে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোডশেডিংও বাড়তে থাকে।
'সরবরাহ ধরে রাখতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি আমদানি' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বৈশ্বিক সংকটের প্রভাবে দেশেও জ্বালানি সরবরাহ ধরে রাখা কঠিন হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহ ধরে রাখতে দ্বিগুণ দামে আনা হচ্ছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)। এরপরও গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না।
গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনসক্ষমতার অর্ধেকের বেশি অলস বসিয়ে রাখতে হচ্ছে। একই সঙ্গে কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমায় বাড়ছে লোডশেডিং।
দীর্ঘ মেয়াদে চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে এলএনজি আমদানির বড় উৎস কাতার ও ওমান। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এ দুটি দেশ থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র বলছে, দীর্ঘ মেয়াদে এলএনজি সরবরাহে এ দুটি দেশের সঙ্গে চারটি চুক্তি আছে বাংলাদেশের।
'শুধু ডিজেলেই দৈনিক ৭৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ভর্তুকি সরকারের'- কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এবং জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারকে জ্বালানি তেলে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। বর্তমানে জ্বালানি তেলের মধ্যে শুধু ডিজেল বিক্রিতেই দৈনিক প্রায় ৭৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার।
বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই ভর্তুকি অব্যাহত রেখে সরকার অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির মূল্য অপরিবর্তিত রাখার নীতিতে অটল রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
এখন প্রতি লিটার ডিজেলে সরকারের ব্যয় হচ্ছে ১৫৫ টাকা। খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ১০০ টাকায়। লিটারে ৫৫ টাকা ভর্তুকির হিসাবে ডিজেলেই দৈনিক সরকারকে প্রায় ৭৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।
ডিজেল বিক্রিতে যদি এই হারে ভর্তুকি দিতে হয় তাহলে আগামী এক মাস ডিজেলেই ভর্তুকি লাগবে দুই হাজার ২৭১ কোটি টাকার ওপরে।
'ভারতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম সফর: কূটনীতির নতুন পরীক্ষা শুরু' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান প্রথমবার ভারত সফরে যাচ্ছেন। আজ তিনি দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন। এ সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের জনগণ ছাড়াও বাংলাদেশের সঙ্গে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অনেক দেশের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রয়েছে।
সূত্রমতে, ঢাকা এ সফরে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দেবে, তা সত্ত্বেও দেশ দুটির জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট অনেক বিষয় প্রাধান্য পাবে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা করে সুপার পাওয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কোন্নয়ন খুব সহজ হবে না। যদিও এই কঠিন পথেই ঢাকাকে তার ক্যারিশম্যাটিক ডিপ্লোমেসি এগিয়ে নিতে হবে।
মূলত ড. খলিলুর রহমানের জন্য এটি একটি কঠিন পরীক্ষা। শক্তিশালী প্রতিবেশী হিসাবে তাকে ভারতের যৌক্তিক দাবিকে প্রাধান্য দিতে হবে। তবে এখানে উভয় দেশের মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্কও নিশ্চিত করতে হবে।
'এক উপাচার্যের ৫৪৭দিনে ৪২৫ নিয়োগ' সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৪৭ দিন উপাচার্যের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এই সময়ে ৪২৫ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে রেকর্ড গড়েছেন সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়া এই ভিসির আমলে পাঁচটি সিন্ডিকেট বৈঠকে চূড়ান্ত করা হয় এসব নিয়োগ।
প্রতিটি সিন্ডিকেট গড়ে ৮৫ জনের নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৬০ বছরে দায়িত্ব পালন করা অন্য ২০ উপাচার্যের কেউই অল্প সময়ে এত বেশি সংখ্যক নিয়োগ দেননি।
সদ্য বিদায়ী উপাচার্য ইয়াহইয়া আখতারের অনেক নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পছন্দের লোক দিয়ে নিয়োগ বোর্ড সাজিয়ে এক উপ-উপাচার্যের মেয়ে, আরেক উপ-উপাচার্যের গবেষণা সহযোগী, রেজিস্ট্রারের ভাই, এক প্রভোস্টের স্ত্রী এবং আরেক প্রভোস্টের ছেলেকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
'৩৮ দিনে ৯৭২ ফ্লাইট বাতিল, সংকটে এয়ারলাইন্স' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির ৩৮ দিন পার হয়েছে। এ সময়টাতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ রেখেছে। এতে করে ওই সব রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারছে না বিভিন্ন এয়ারলাইন্স। প্রতিদিনই বাতিল হচ্ছে অনেক ফ্লাইট।
গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ই এপ্রিল পর্যন্ত বাতিল হয়েছে ৯৭২টি ফ্লাইট। ফ্লাইট পরিচালনা করতে না পারার কারণে এয়ারলাইন্সগুলো আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তার সঙ্গে বড় সংকটে পড়েছে দেশের ট্রাভেল এজেন্সির মালিকরা। একমাসের উপরে স্বাভাবিক ফ্লাইট চালু না থাকায় টিকিট, ভিসা প্রসেসিংসহ কোনো কাজই করতে পারছে না এজেন্সিগুলো।
অনেকটা অলস ও বেকার সময় কাটাচ্ছেন এজেন্সির মালিক-কর্মচারীরা। অফিস ভাড়া থেকে শুরু করে কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছে না অনেক এজেন্সির মালিক। খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি যত দীর্ঘায়িত হবে এভিয়েশন খাতে বড় বিপর্যয় আসবে।
'বিদ্যুৎ শিল্প কৃষিতে বহুমুখী বিপর্যয়' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সবার চিন্তা জ্বালানি তেল নিয়ে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটি পেতে রীতিমতো যুদ্ধ চলছে এখন। জ্বালানি সংকটের প্রভাবে অর্থনীতি, শিল্প, কৃষি, পরিবহনসহ অন্যান্য খাত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
চাহিদামতো জ্বালানি সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। আছে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির ভয়াবহ চাপ আর উদ্বেগ। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার পাশাপাশি দেশে গরম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জ্বালানি চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
চলমান এই বৈশ্বিক সংকটের কারণে দেশের অর্থনীতি এখন চাপের মুখে। চ্যালেঞ্জের মুখে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধি। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে মূল্যস্ফীতি আরেক দফা উসকে যেতে পারে।
এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে সরকারিভাবে আশ্বস্ত করা হচ্ছে। তবে জ্বালানি খাতের বর্তমান চিত্র ভিন্নকথা বলছে।
পেট্রোলপাম্পে দীর্ঘ সারি, গ্যাসের অভাবে সার কারখানা বন্ধ, শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত, কৃষি সেচে ডিজেল নিয়ে দুশ্চিন্তা, বিদ্যুতের লোডশেডিং বৃদ্ধি এবং রেকর্ড দামের পরও এলপিজি বাজারের অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে।
ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম, '60% capacity of gas plants to stay unutilised'- অর্থাৎ 'গ্যাস প্ল্যান্টগুলোর ৬০ শতাংশ উৎপাদন ক্ষমতা অব্যবহৃত থাকছে'।
খবরে বলা হচ্ছে, ইরান যুদ্ধ এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে সৃষ্ট গ্যাস, কয়লা ও ফার্নেস অয়েলের ঘাটতির ফলে এই গ্রীষ্মে সরকারের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর অপ্রতুল ব্যবহার আরও বাড়তে পারে।
সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে মোট ক্ষমতার প্রায় ৪০ শতাংশ অব্যবহৃত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্যাসচালিত কেন্দ্রগুলো সবচেয়ে কম ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবির ১২ হাজার ২০৪ মেগাওয়াট গ্যাস-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ব্যবহার করতে পারবে। ফলে প্রায় ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকবে।
পিডিবির গ্রীষ্মকালীন পরিকল্পনা অনুযায়ী, গ্রীষ্মকাল জুড়ে গ্যাস-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ অব্যবহৃত থাকতে পারে। পাশাপাশি ক্যাপাসিটি চার্জও দেওয়ায়ও অব্যাহত থাকবে।
গতকালও গ্যাস সংকটের কারণে ৫৭টি গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ১৭টি বন্ধ ছিল অথবা তাদের ক্ষমতার চেয়ে কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
নিউ এইজের শিরোনাম 'Govt moves to repeal ords on SC, restore NHRC Act' অর্থাৎ 'সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনর্বহালের পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার'।
খবরে বলা হচ্ছে, সরকার সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশসহ বিচার বিভাগ-সম্পর্কিত অধ্যাদেশগুলো বাতিল করার জন্য জাতীয় সংসদে বেশ কয়েকটি বিল পেশ করেছে।
এছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ পুনর্বহালের জন্য একটি বিল উত্থাপন করেছে।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে সাতটি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার জন্য ছয়টি বিল পাস করা হয়।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান 'সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ ২০২৫', 'সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫' এবং 'সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৬' বাতিলের লক্ষ্যে বিল উত্থাপন করেন।
বিল অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়-সম্পর্কিত অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হলে অধ্যাদেশের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সচিবালয়টি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।