পত্রিকা: 'বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর নেই, লোডশেডিং বাড়বে'

বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর নেই, লোডশেডিং বাড়বে— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ আড়াই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির কথা বলা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। তবে বিতরণ কোম্পানিগুলোর মতে, লোডশেডিং চার হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মপরিকল্পনা এবং জ্বালানি আমদানি পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে খাত-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে না। কারণ ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি দামও বেড়েছে।
এছাড়া, তাপমাত্রা বাড়ছে। রয়েছে অর্থ সংকট। ফলে সামনের দিনগুলোতে জ্বালানির স্বল্পতায় বিদ্যুতের চাহিদা এবং উৎপাদনের মধে ফারাক বৃদ্ধি পাবে। ফলে লোডশেডিও বাড়বে।
দৈনিকটির গ্রাম ও শহরে বৈষম্য কমাতে ঢাকাতেও লোডশেডিং হবে শিরোনামের আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃষকরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেটা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রাম ও শহরে বৈষম্য কমাতে রাজধানীতে পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Govt moves to reopen airports to boost economy, exports in North; উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি, রপ্তানি চাঙ্গা করতে অচল বিমানবন্দরগুলো চালু করার উদ্যোগ সরকারের।
এই খবরে বলা হয়েছে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে উত্তরাঞ্চলের বন্ধ থাকা স্থানীয় বিমানবন্দরগুলো পর্যায়ক্রমে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
উত্তরাঞ্চলের অব্যবহৃত এভিয়েশন অবকাঠামো পুনরুজ্জীবিত করার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বগুড়া বিমানবন্দর। এরপরই রয়েছে ঈশ্বরদী, ঠাকুরগাঁও ও লালমনিরহাট বিমানবন্দর।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, উন্নত বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা বড় আকারের শিল্প উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) রংপুর ও সিরাজগঞ্জে নতুন ইপিজেড স্থাপনের পরিকল্পনা করছে।
পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু সেতুর নিকটবর্তী এলাকা এবং কুড়িগ্রামসহ এই অঞ্চলজুড়ে বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল ইতোমধ্যেই অনুমোদিত বা উন্নয়নের পর্যায়ে রয়েছে।

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— পুলিশে ফের অস্থিরতা।
এই খবরে বলা হয়েছে, নানা কারণে বাংলাদেশ পুলিশে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যার মধ্যে আছে চাকরি হারানোর ভয়, খারাপ স্থানে বদলি হওয়ার দুশ্চিন্তা।
গত বুধবার ১১ ডিআইজি ও দুজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর পর আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
যদিও পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতনরা বলছেন, 'যারা গত ১৭ বছর সরকারের লেজুড়বৃত্তি করেছে, তাদেরই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে।'
এদিকে, পুলিশের কিছু কর্মকর্তা আওয়ামী আমলেও ক্ষমতাধর ছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও তাদের প্রভাব কমেনি।
বাহিনীর যারা সব সরকারের আমলেই সুবিধা নিয়েছে, তাদের বিষয়ে খোঁজ নিতে সরকারের উচ্চমহল থেকে গোপন বার্তা দেওয়া হয়েছে।
সে অনুযায়ী, পুলিশের দুটি ইউনিটসহ গোয়েন্দারা কাজ শুরু করেছে।
আবার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বঞ্চিত একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও উপেক্ষিত ছিলেন। তারা দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত ছিলেন। পদোন্নতি না পাওয়ায় অনেকের ক্ষোভ ও হতাশা বেড়েছে।

সবই হামে, উপসর্গে নয়— প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, হামে মৃত্যু ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তারা কিছু মৃত্যুকে সন্দেহজনক হামের কারণে হচ্ছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হামের উপসর্গ থাকলে সবই হামে মৃত্যু।
সম্প্রত ন্যাশনাল ইমুনাইজেশন অ্যান্ড টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ (নাইট্যাগ) এবং ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কমিটির (এনভিসি) যৌথ সভায় বিশেষজ্ঞরা এই মত দেন।
টিকা বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিতে জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ কারিগরি কমিটি হলো নাইট্যাগ; আর রোগ শনাক্তকরণের যেসব ব্যবস্থা দেশে আছে, সেগুলোর মান ও সক্ষমতা যাচাই করে এনভিসি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সন্দেহজনক হামে মৃত্যু ১৯৪, নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৩৯।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— বড় তিন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বৃহৎ সক্ষমতা উৎপাদনে না থাকায় বাড়ছে লোডশেডিং।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে বিদ্যুৎ চাহিদা ও উৎপাদনে গড়ে আড়াই হাজার মেগাওয়াটের মতো ঘাটতি হচ্ছে।
গ্যাস, জ্বালানি তেল ও কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো দিয়ে ঘাটতি মোকাবিলার চেষ্টা করা হলেও তিনটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বৃহৎ সক্ষমতা উৎপাদনে না থাকায় সম্প্রতি লোডশেডিং বেড়ে গেছে।
আদানি, এসএস পাওয়ার ও আরএনপিএলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ৪ হাজার ২৪০ মেগাওয়াট।
বর্তমানে এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি করে ইউনিট বন্ধ থাকায় গ্রিডে এ তিনটি কেন্দ্র থেকে এক হাজার ৬৮৯ মেগাওয়াট সরবরাহ হচ্ছে, যা মোট উৎপাদন সক্ষমতার ৩৯ শতাংশ।
বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এসব ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকটা কমে আসবে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— RMG exports at risk; অর্থাৎ ঝুঁকিতে পোশাক রফতানি।
খবরটিতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক মন্দা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তজনার পাশাপাশি দেশীয় জ্বালানি ও ডলার সংকটের প্রভাবে তৈরি পোশাক খাতে ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন ও রপ্তানি—সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক চাপ তৈরি হচ্ছে।
এপ্রিল থেকে জুন সময়টি সাধারণত পোশাক খাতের জন্য ফল সিজন হিসেবে পরিচিত। এ সময়ে পণ্যের শিপমেন্ট চলে। তবে এবারের এই সময়ে ক্রয়াদেশ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অন্তত ৫ থেকে ৮ শতাংশ কম এসেছে।
সামনের দিনগুলোতে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উইন্টার বা হলিডে সিজন নিয়ে আরও বড় উদ্বেগ দেখা দিচ্ছে। এই সময়ের জন্য বর্তমানে ক্রয়াদেশ নিশ্চিত করার কাজ চলছে।
তবে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে ভোক্তা চাহিদা ব্যাপক কমেছে। ফলে এই মৌসুমে অন্তত ১০ শতাংশ পর্যন্ত ক্রয়াদেশ কমতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাক রপ্তানি ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ কমেছে।
বিশেষ করে মার্চ মাসে রপ্তানি আয় প্রায় ৭৭ কোটি ডলার কমে যাওয়ার ফলে সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বাসভাড়া বাড়ল ৫ শতাংশ— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানির দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়িয়েছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার এ নিয়ে ঘোষণা আসার পরপরই কার্যকর হয়েছে নতুন বাস ভাড়া।
ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর, আন্তজেলা এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ ডিটিসিএ এলাকাসহ সব ক্ষেত্রেই গণপরিবহনের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা করে বাড়ানো হয়েছে।
সেই হিসাবে মহানগর ও আন্তজেলা বাসের ভাড়া ৪ দশমিক ৪৫ থেকে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ বাড়ল।
সড়ক, রেল এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে চলা ৫২ আসনের বাসের জন্য প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে ১১ পয়সা বেড়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা হবে, যা প্রায় ৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ বাড়ল।
আন্তজেলায় ৫২ আসনের বাসের ভাড়া ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে ১১ পয়সা বেড়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা (প্রায় ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ) এবং ডিটিসিএ এলাকায় মিনিবাসের ক্ষেত্রে ২ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ১১ পয়সা বেড়ে ২ টাকা ৪৩ পয়সা (প্রায় ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ) হবে।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Justice still elusive; অর্থাৎ বিচার এখনো অধরা। ঢাকার সাভারে রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর পরেও বিচার শেষ না হওয়ার কথা ওঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।
২০১৩ সালের ২৪শে এপ্রিল এই ভবন ধসে ১,১৩৬ পোশাক শ্রমিক নিহত এবং দুই হাজারের বেশি আহত এবং বেঁচে যাওয়া অনেকেই পঙ্গু হয়েছেন।
ভবনটির মালিক সোহেল রানা এখন কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি এবং নিহতের পরিবার বিচার ও পূর্ণ ক্ষতিপূরণের অপেক্ষায় আছেন।
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার এক দশকের বেশি সময় পার হলেও এ ঘটনায় শ্রম ও ফৌজদারি আদালতে এখনও অন্তত ১৯টি মামলা বিচারাধীন।
এছাড়া, ক্ষতিপূরণ ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা সংক্রান্ত পাঁচটি রিট আবেদন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে, রানা প্লাজা ধসে শ্রমিকদের প্রাণহানির ঘটনায় করা হত্যা মামলাটি এখনো সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ অষ্টম আদালতে।

যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর— শাহবাগে ডাকসু নেতা ও সাংবাদিকসহ আহত ১২।
এই খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) দুই নেতা যুবাইর বিন নেছারী (এ বি জুবায়ের) ও মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ হামলার শিকার হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শাহবাগ থানার সামনে এ ঘটনার পর ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ সময় ১০ জন সাংবাদিকও হামলার শিকার হয়েছেন।
ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন বলে ছাত্রশিবির অভিযোগ করেছে।
এদিকে, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে আজ শুক্রবার জরুরি সাংগঠনিক সভা ডেকেছে ছাত্রদল।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Govt, opposition team up on fuel crisis; অর্থাৎ জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার-বিরোধীদল মিলে সংসদীয় কমিটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের যৌক্তিক সমাধান খোঁজা ও জাতীয় স্বার্থে যৌথভাবে কাজ করার লক্ষ্যে ১০ সদস্যের একটি যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় সরকারি দলের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের নাম ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা আরও পাঁচ সদস্যের নাম ঘোষণা করেন।
প্রস্তাবিত কমিটির প্রধান হবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
এছাড়া, ক্ষমতাসীন দল থেকে আরও থাকবেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), মঈনুল ইসলাম খান ও মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
বিরোধী দল থেকে কমিটিতে থাকছেন— মো. সাইফুল আলম, মো. আব্দুল বাতেন, মো. নূরুল ইসলাম, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ ও মোহাম্মদ আবুল হাসান।
এর আগে তারেক রহমান বলেন, বিরোধী দলের প্রস্তাব ও পরামর্শ এই কমিটির মাধ্যমে সরকারের কাছে যাবে। সেখানে বাস্তবসম্মত কিছু থাকলে সরকার তা কার্যকর করার উদ্যোগ নেবে।









