পত্রিকা: 'চমকানো তথ্য দিলেন রাষ্ট্রপতি'

কালের কণ্ঠের শিরোনাম 'চমকানো তথ্য দিলেন রাষ্ট্রপতি'। এ খবরে বলা হচ্ছে, টানা দেড় বছর পর কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রাণ খুলে কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন।
তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে আলোচনায় না থেকেও তাকে নিয়ে নানা চক্রান্ত হয়েছে।
দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা চিরতরে ধ্বংস করার এবং সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করার অনেক পাঁয়তারা হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, তিনি সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন। যে কারণে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হয়নি। বিশেষ করে অসাংবিধানিক উপায়ে রাষ্ট্রপতিকে উপড়ে ফেলার অসংখ্য ছক ব্যর্থ হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থানের কিছু নেতার চাপে তাকে অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা করে একটি সিদ্ধান্তে আসে। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারও একটা সিদ্ধান্তে এসেছিল।
কিন্তু বিএনপি থেকে উচ্চপদে আসীন নেতা আমাকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন যে, 'আপনার প্রতি আমাদের সমর্থন আছে। আমরা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখতে চাই। কোনো অসাংবিধানিক উপায়ে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের পক্ষে আমরা নই।'

'প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল করছে সরকার' সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনে পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার।
এরই মধ্যে বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ দুই পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। গতকাল রোববার সেনাবাহিনীর আটটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল করা হয়েছে।
পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তন আনা হবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ জ্যেষ্ঠ পদগুলোতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার বেসামরিক প্রশাসনেও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনবে। তবে একবারে নয়, পর্যায়ক্রমে রদবদল করা হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তবর্তী সরকার প্রশাসনে ব্যাপক পরিবর্তন আনে।
বর্তমানে শুধু সচিব ও সমপর্যায়ের পদে অন্তত ১৫ কর্মকর্তা চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন।
তারা ছাড়াও দায়িত্বে থাকা সচিবসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বড় অংশই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিএনপির পছন্দে নিয়োগপ্রাপ্ত। ফলে এই কর্মকর্তারা বহাল থাকবেন।
তৎকালীন সরকারের পছন্দে এবং জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির বরাতে যাদের পদায়ন হয়েছিল, তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'ঢাকায় ৪০১ ভাড়াটে খুনি' আজকের পত্রিকার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকায় গত এক বছরে আলোচিত সব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে ভাড়াটে খুনি।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নির্দেশদাতারা নেপথ্যে থেকে টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে শুটার দিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
এসব মামলার তদন্তে নেমে রাজধানীতে সক্রিয় ৪০১ জন ভাড়াটে শুটার বা খুনিকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাদের তালিকাও করেছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সূত্র বলছ, ডিএমপির আট অপরাধ বিভাগে শনাক্ত করা এই ৪০১ জন ভাড়াটে শুটারের মধ্যে ১১৮ জনই মতিঝিল বিভাগে। এরপরই রয়েছে ওয়ারী বিভাগে, ৭৩ জন ।
এই শুটারদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে হত্যাসহ সর্বোচ্চ ৪৩ টি এবং কারও বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে।
তারা কিছুদিন পরপর স্থান পরিবর্তন করে। ভাড়াটে খুনিদের কারণে জনমনে উদ্বেগ রয়েছে।
পুলিশের সূত্র জানায় , গত বছরের ২১ মার্চ গুলশানে ব্রডব্যান্ড (ইন্টারনেট সংযোগ) ব্যবসায়ী সুমন মিয়া ওরফে টেলি সুমন হত্যায় ভাড়াটে খুনি ব্যবহার করা হয়। এরপর গত ১০ মাসে ভাড়াটে খুনি দিয়ে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
গত বছরের ১৭ নভেম্বর পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে দোকানে ঢুকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

'কুষ্টিয়ায় বাজারে রমজানে ক্যারাম-টিভি বন্ধের নির্দেশ পুলিশ কর্মকর্তার' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি বাজারে রমজান মাসে ক্যারাম খেলা ও টেলিভিশন চালানো বন্ধের নির্দেশ দেয়ার
অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার সন্ধ্যায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা বাজার পরিদর্শনে গেলে তার সঙ্গে ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার অধীন পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মসিউল আজম।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বাজারের একটি চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে মসিউল আজম কড়া ভাষায় বলছেন, "ওই যে ক্যারাম খেলতেছে। আমি বন্ধ করে দিছি কিনা? কেন চললো? সেদিন বাজার কমিটিকে ডেকে বলে গেছি না, তারাবির একমাস কোনো ক্যারাম, কোনো টিভি চলবে না। কেন চললো?"
পরে তাকে ক্যারাম বোর্ডের দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়।
ভিডিওতে পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা কুষ্টিয়া সদর আসনের এমপি আমির হামজাকে বলতে শোনা যায়- "রমজান মাস, ইবাদতের মাস। যাই করবেন, নামাজের সময় যেন এইসব না করেন।"
ঘটনার পরদিন রাত ৮টার দিকে বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কেউ কেউ দোকান খুললেও শাটার আংশিক নামানো ছিল।

'সংসদে ছড়াবে উত্তাপ' যুগান্তরের শিরোনাম। এ খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ১২ মার্চ সংসদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে।
আর প্রথম অধিবেশনেই 'সংবিধান সংস্কার পরিষদ' ইস্যুতে উত্তপ্ত হতে পারে জাতীয় সংসদ। দলগুলোর বক্তব্য ও আইন বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যে এমন ইঙ্গিত মিলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সংসদ-সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর থেকেই দেশে রাজনীতিতে কিছুটা উত্তাপ ছড়িয়েছে।
তবে এই উত্তাপ সংকটে রূপ নেয় কি না, তা দেখার জন্য সংসদের প্রথম অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
কারণ, নির্বাচনের পর সরকারি দলের নির্বাচিতরা শুধু সংসদ-সদস্য হিসাবে শপথ নিয়েছেন।
আর বিরোধী দলের সদস্যরা নিয়েছেন দুটি শপথ। একটি সংসদ-সদস্য হিসাবে এবং অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে।
তাদের মতে, একই দেশে দুই নিয়ম চলতে পারে না।

'গ্যাস-সংকট কাটছেই না' প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জাকিয়া রায়হানার বসবাস ঢাকার ধানমন্ডির ৭ নম্বর সড়কে। তাঁর বাসায় তিতাসের গ্যাস-সংযোগ রয়েছে, সঙ্গে আছে ভোগান্তি।
প্রয়োজনের সময় গ্যাস না পেয়ে তিনি রান্না করতে পারেন না। এই রমজান মাসে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
জাকিয়া প্রথম আলোকে বলেন, চার দিন ধরে বাসার কোনো ফ্ল্যাটে গ্যাস নেই। আশপাশের বাসায়ও নেই। মানুষের খুব কষ্ট হচ্ছে। এভাবে চলা যায় না।
গ্যাসের এ সংকট আজকের নয়, দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলছে। এ সময়ে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।
সংকট কাটানোর কথা বলে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা অর্থনীতিতে সংকট তৈরি করেছে। বড় অঙ্কের দেনার মুখে পড়েছে দেশ, কিন্তু গ্যাস-সংকট আর কাটেনি।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি এ একটি গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো।
না পারলে মানুষের ভোগান্তি যাবে না। আবার শিল্প খাত গ্যাস না পেলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে বাধা তৈরি হবে।
বিএনপি সরকারের অর্থনৈতিক লক্ষ্যপূরণও কঠিন হবে।
দলটি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারে উন্নীত করার কথা বলছে, যা এখন ৪৫০ বিলিয়ন ডলারের সমান (১ হাজার বিলিয়নে ১ ট্রিলিয়ন)।

'অন্তর্বর্তী সরকারের দেয়া অনেক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল হবে ঈদের পর' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর তারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সরকারি সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ঢালাওভাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়।
সে সময়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বড় অংশ এখনো বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও দপ্তরপ্রধান হিসেবে কর্মরত।
তবে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর চুক্তিভিত্তিক অনেক কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল হবে বলে জানা গেছে।
এছাড়া চুক্তিভিত্তিক অনেক কর্মকর্তার মেয়াদ শেষের দিকে। অনেকে আবার নিজেই পদ থেকে সরে যাচ্ছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে থাকা শেখ আব্দুর রশিদের চুক্তি বাতিলের প্রজ্ঞাপন হয়।
সে সময় শেখ আব্দুর রশিদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি আগেই পদত্যাগ করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের কারণে তা গৃহীত হয়নি।
একই দিন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল।
একদিন পর তিনিও চাকরি থেকে পদত্যাগের আবেদন করেন।
ওইদিনই মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি।
শেখ আব্দুর রশিদ ও সিরাজ উদ্দিন মিয়া দুজনই অন্তর্বর্তী সরকারের দেয়া চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কর্মরত ছিলেন।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম, Govt faces $30b debt servicing bill'. এ খবরে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুসারে, বাংলাদেশ চলতি অর্থবছরে ঋণ পরিশোধের জন্য ৩০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করবে।
যার মধ্যে দেশীয় ও বিদেশী ঋণের মূল পরিশোধ এবং সুদ উভয়ই রয়েছে।
সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়েছে যে, বাংলাদেশ যদি রাজস্ব আদায় উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত না করে, তাহলে দেশটি 'রোলওভার ঝুঁকি' বৃদ্ধির সম্মুখীন হবে।
যার অর্থ সরকারের জন্য তার পরিপক্ক ঋণ পরিশোধের জন্য নতুন অর্থ ধার করা ক্রমশ কঠিন এবং ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে।
গত মাসে প্রকাশিত কনসালটেশন রিপোর্টে আইএমএফ অনুমান করেছে, চলতি অর্থবছরে সরকারি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়ে ৩০ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। যা আগের অর্থবছরের ছিল ২৬ বিলিয়ন ডলার।
আইএমএফের তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশের মোট সরকারি ঋণ এখন ১৮৮ কোটি ৭৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই হার বেড়েছে। যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ থেকে বেশি।

'১২ মার্চ বসছে সংসদ' নয়াদিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ১২ মার্চ বসছে- এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ উপস্থাপন, শোক প্রস্তাব এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণ থাকবে।
গতকাল রোববার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সংসদ সচিবালয়ের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর দফতর হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে।
সংবিধান ও প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে অধিবেশন আহ্বান করবেন।
সাংবিধানিক প্রক্রিয়া কেন ১৫ দিন আগে প্রজ্ঞাপন : জাতীয় সংসদ ভবনকেন্দ্রিক আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় অধিবেশন আহ্বানের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৫ দিন আগে প্রজ্ঞাপন জারি করার বিধান আছে।
মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সেই সময়রেখা মেনেই ১২ মার্চ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রথম অধিবেশন হওয়ায় প্রশাসনিক প্রস্তুতিও বেশি- সদস্যদের শপথ, আসন বিন্যাস, স্থায়ী কমিটি গঠন, অধ্যাদেশ বিল আকারে তোলা- সব মিলিয়ে এটি কার্যত 'ফাউন্ডেশন সেশন'।

'সিটি নির্বাচনে মাতবে এবার ঢাকা-চট্টগ্রাম' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে সরকার গঠনের পর আলোচনা শুরু হয়েছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর ঢাকার দুই মেয়রসহ কাউন্সিলরা লাপাত্তা। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে নাগরিকদের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে।
এমন পরিস্থিতিতে সুখবর দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, অতিদ্রুত সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ভোটের দিন তারিখ ঠিক না হলেও কারা হচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নগরপিতা সে আলোচনা চলছে বেশ জোরেশোরেই।
সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি এমন নেতারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে তৎপরতা শুরু করেছেন।
আবার মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারেননি এমন নেতারাও রয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায়।
প্রার্থীরা দায়িত্বশীল জ্যেষ্ঠ নেতাদের কাছে তাদের আগ্রহের কথা জানান দিচ্ছেন।
ইতিমধ্যেই ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে।

নিউ এজের শিরোনাম 'Govt clears 1,006 'political' cases for withdrawal'
খবরে বলা হচ্ছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক এক হাজার ছয়টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে গতকাল রোববার এ তথ্য জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং এগুলোকে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও ভিন্নমত দমনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল।
এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম, গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর মধ্যে ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
ফলে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ হয়রানিমূলক মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।








