আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩২ অধ্যাদেশ অনিশ্চয়তায়'
আজকের পত্রিকার প্রধান খবর— অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩২ অধ্যাদেশ অনিশ্চয়তায়।
এই সংবাদে বলা হয়েছে, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালনের দেড় বছরে মোট ১৩২টি অধ্যাদেশ জারি করেছে। যার মধ্যে সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কিছু অধ্যাদেশও রয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির জারি করা এসব অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার ৩০ দিনের মধ্যে আইনে রূপান্তর করতে হবে। না হলে অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়াসহ সব কাজের সঙ্গে বিএনপি পূর্ণ একমত ছিল না।
ফলে সব অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর হবে কি না, এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও আইনজীবীরা বলছেন, রাষ্ট্রের গুণগত সংস্কার ও জনস্বার্থমূলক অধ্যাদেশগুলোকে আইনে পরিণত করা উচিত। তবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার কোন কোন অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করবে, এখনকার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় হয়তো সেই সিদ্ধান্ত নেবে।
এ ক্ষেত্রে নিজেদের সংস্কারনীতি ও নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিষয়গুলোকে সরকার স্বাভাবিকভাবে এড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
চলমান প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পন্নে প্রধানমন্ত্রীর নিষ্পত্তিমূলক পদক্ষেপ প্রত্যাশা ট্রাম্পের— বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভকামনা জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বুধবার চিঠি দিয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল বৃহস্পতিবার চিঠিটি তাদের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করে।
পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী বলে চিঠিতে উল্লেখ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবেন বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী, যা দুই দেশের কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনবে।
সেই সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতেও তারেক রহমানের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার চিঠিতে উল্লেখ করেন।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিঠি দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্কের বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সংশ্লিষ্টরা।
তারা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের বিদ্যমান ব্যবসা-বাণিজ্যকে অগ্রাধিকার দেয়া পররাষ্ট্রনীতির আলোকেই বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নতুন নীতি নিয়ে ট্রাম্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে যে ধরনের যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছেন, তার ধারাবাহিকতায় তিনি তারেক রহমান বরাবর চিঠিটি লিখেছেন।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— LDC Graduation: Government asks UN for three -year deferment; অর্থাৎ এলডিসি উত্তরণের সময় তিন বছরে পিছিয়ে দিতে জাতিসংঘকে সরকারের অনুরোধ।
এই খবরে বলা হয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণে বাংলাদেশের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা আছে চলতি বছরের ২৪ নভেম্বর। এ নিয়ে এখন তৃতীয় ধাপে পর্যালোচনা চলছে।
তবে, দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন, ব্যবসায়ী নেতা ও কিছু অর্থনীতিবিদের আহ্বান ছিল, এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা পেছানোর।
নয়া সরকার দায়িত্বগ্রহণের পর প্রথম কার্যদিবসে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময় তিন বছরে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী গত বুধবার জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটির (ইউএন সিডিপি) চেয়ারম্যান বরাবর একটি চিঠি পাঠান, যেখানে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিমূলক সময়কাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াতে অনুরোধ করা হয়েছে।
প্রথম আলোর প্রধান খবর— এক মাসেই মশা বেড়েছে ৪০%।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় মশার উপদ্রব শুধু বেড়েই চলেছে এমন নয়; বরং তা মারাত্মক মাত্রা ছুঁয়েছে।
সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, জানুয়ারি মাসের তুলনায় চলতি ফেব্রুয়ারিতে মশার সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। আর মশার ৯০ শতাংশই কিউলেক্স।
মার্চে মশার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
বাংলাদেশে সাধারণত তিন প্রজাতির মশার বিস্তার দেখা যায়—কিউলেক্স, এডিস ও অ্যানোফিলিস। এর মধ্যে কিউলেক্সের বিস্তারই বেশি।
কিউলেক্সের কামড়ে ফাইলেরিয়া বা গোদরোগ ও জাপানি এনসেফালাইটিস হয়। তবে এ দুটি রোগ দেশে ততটা প্রকট নয়।
এডিসের কামড়ে ডেঙ্গু ও অ্যানোফিলিসের কামড়ে ম্যালেরিয়া হয়।
গবেষকেরা বলছেন, তিন কারণে এবার মশার প্রকোপ বেড়েছে।
প্রথমত, এবার শীতের মাত্রা কম আর স্বাভাবিকের চেয়ে একটু আগেই শীত বিদায় নিয়েছে। আবার এ বছর মশার প্রকোপ আগেই শুরু হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, নর্দমা ও জলাশয়ের দূষণ যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি।
তৃতীয়ত, রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে জনপ্রতিনিধির অভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এগোচ্ছে না।
এছাড়া, মশা নিধনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেনের উদ্যোগের বিষয়ে আলাদা দুইটি খবরও প্রথম পাতায় প্রকাশ করেছে পত্রিকাটি।
যেখানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগের বিষয়ে বলা হয়েছে, অভিযানে মশা মরছে না, উপায় খুঁজতে কমিটি করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মশা নিধন কর্মীর তালিকায় রয়েছে মৃত ব্যক্তির নাম-ও।
আন্তর্জাতিক সম্পর্কে আগের চ্যালেঞ্জ অব্যাহত থাকবে— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হচ্ছে, পররাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের চ্যালেঞ্জগুলো বর্তমান সরকারের সময়েও অব্যাহত থাকবে।
এর মধ্যে ভারতের সাথে অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পর্কে টানাপোড়েন ছিল। দেশটি বিএনপি সরকারের সাথে একটি কার্যকর সম্পর্ক রাখতে চায়, তেমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিটি ব্যবসা, বিনিয়োগ, সমরাস্ত্র সংগ্রহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতায় সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটা সত্য হলে বাংলাদেশের সাথে চীনের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নতুন সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ এবং তা সুরাহার উপায়গুলো নিয়ে আলাপকালে বিশেষজ্ঞরা এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
সমকালের প্রধান শিরোনাম— ইশতেহার ধরে ১৮০ দিনের পরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু।
এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারকে প্রাধান্য দিয়ে শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ, দুর্নীতিবিরোধী কাঠামো শক্তিশালীকরণ, বাকস্বাধীনতা, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের মতো বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পাশাপাশি সরকারের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েও কাজ শুরু হয়েছে।
মন্ত্রীরা খুব শিগগিরই তাদের কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করবেন। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে 'ফ্যামিলি কার্ড' চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি করা হয়েছে।
এই কমিটি প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের প্রতিটির একটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করার লক্ষ্যে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করবে।
এছাড়া, শিগগিরই রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে একযোগে খাল খন কর্মসূচি শুরু করার সিদ্ধান্তও হয়েছে।
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:
নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Poor language skills affect higher edn, job; অর্থাৎ ভাষা দক্ষতায় ঘাটতির প্রভাব পড়ছে উচ্চশিক্ষা, চাকরিতে।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থায় প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত দুইটি বিষয় বাংলা ও ইংরেজি আবশ্যিক।
১২ বছরের এই শিক্ষাজীবনেও শিক্ষার্থীরা দুই ভাষাতেই কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না।
এমনকি, তাদেরকে শিক্ষা জীবনের শেষের দিকে কিংবা পেশাগত জীবনে এসেও সামান্য ভুল করতে-ও দেখা যায়।
এর মধ্যে অনেক চাকরিপ্রার্থী ইংরেজি বলতে না পারা অথবা সঠিকভাবে ইংরেজি লিখতে না পারার কারণে প্রত্যাখ্যাত হন। যার ফলে অন্যান্য দেশ থেকে কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে।
মূলত, দক্ষ শিক্ষকের অভাব, প্রাসঙ্গিক শিক্ষা পরিকল্পনা ও নীতি এবং ত্রুটিপূর্ণ শিখন প্রক্রিয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা এসব ভাষায় দুর্বল থাকে।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, ভাষাগত দক্ষতার অভাব বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি সামাজিক-রাজনৈতিক সমস্যা, যেখানে শাসকরা সবসময় বাংলা ভাষাকে অবহেলা করেছেন।
এ অবস্থায় আগামীকাল শনিবার দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা উদযাপিত হতে যাচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এই পরিস্থিতির জন্য যোগ্য ও উৎসাহ দেয় এমন শিক্ষকের অভাবকে দায়ী করছেন।
সংবাদের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে: চিফ প্রসিকিউটর।
এই খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ চলমান থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।
গতকাল বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গনে তিনি আরও বলেছেন, আপনারা হয়তো দেখেছেন, আইনমন্ত্রী বলেছেন, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতেই চলমান থাকবে। আমরা আশা করি, ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ চলমান থাকবে। সরকার আমাদের সুনির্দিষ্ট কিছু না বললেও চলমান রাখার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা দায়িত্বে আছি স্বাভাবিক গতিতেই সব কর্মকাণ্ড চলমান রাখবো এবং এটাই ন্যায়বিচারের দাবি— যোগ করেন তাজুল ইসলাম।