নির্বাচনের আরো খবর নতুন লাইভ পাতায়
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ও গণভোট নির্বাচন নিয়ে প্রথমদিনের সরাসরি খবর এখানে শেষ হচ্ছে।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়াসহ আরো খবর থাকছে আমাদের দ্বিতীয় দিনের লাইভ রিপোটিংয়ে।
আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একদিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, এখন চলছে ভোট গণনা। বেসরকারি ফলাফলে বেশিরভাগ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একে অপরের বিরুদ্ধে কারচুপি, জালিয়াতি ও কেন্দ্র দখলসহ নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ও গণভোট নির্বাচন নিয়ে প্রথমদিনের সরাসরি খবর এখানে শেষ হচ্ছে।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়াসহ আরো খবর থাকছে আমাদের দ্বিতীয় দিনের লাইভ রিপোটিংয়ে।
ঢাকা-১৩ আসনে (মোহাম্মদপুর-আদাবর-শ্যামলী) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হককে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি'র প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটে রিক্সা প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ৩২০।
বৃহস্পতিবার ওই আসনের ১৩৯টি কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ শুরু হওয়ার পর থেকেই দেখা গেছে, একে অন্যের সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে এই দুই প্রার্থীর।
ভোটের আগে এক জরিপেও ববি হাজ্জাজ ও মামুনুল হকের মধ্যে তুমুল লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গিয়েছিল।
এই আসন থেকে ববি হাজ্জাজ ও মামুনুল হক ছাড়াও আরো সাতজন প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন। এই সাত প্রার্থী সব মিলিয়ে ভোট পেয়েছেন তিন হাজার ৮১৩টি।
ঢাকা-১৩ আসনটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মোহাম্মদপুর এলাকা। এই আসনে মোট ভোটার চার লাখ আট হাজার ৭৯১ জন। সে হিসেবে ভোট পড়েছে এক লাখ ৭৮ হাজার ২৭৬টি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট কী পরিমাণ ভোট পড়েছে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন জানিয়েছে, সবগুলো আসনের ফলাফল হাতে না পাওয়া পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতির চূড়ান্ত হার প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সচিবের কাছে একাধিকবার প্রশ্ন করা হলেও তিনি জানান, এখনো ২৯৯টি আসনের পূর্ণাঙ্গ ফল না পাওয়ায় মোট ভোটের সঠিক হিসাব দেওয়া যাচ্ছে না। সব আসনের ফল পাওয়ার পরই ভোটার উপস্থিতির শতকরা হার নির্ধারণ ও ঘোষণা করা হবে।
এর আগে নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছিল, ভোটগ্রহণের দিন দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। তবে শেষ আড়াই ঘণ্টায় কত শতাংশ ভোট পড়েছে, সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য এখনো প্রকাশ করেনি কমিশন।
সাধারণত ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভোটের হার জানিয়ে থাকে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এবার সেটি না হওয়ায় এ নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব আসনের ফলাফল সংগ্রহ শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
ঢাকা-৮ আসনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে প্রায় পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পেছনে ফেলে তিনি এ আসনে জয় নিশ্চিত করেন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফল অনুযায়ী, মির্জা আব্বাস পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৫৫২টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫১ হাজার ৫৭২টি ভোট।
তাদের ভোটের ব্যবধান চার হাজার ৯৮০।
এ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে এক লাখ ১১ হাজার ৯৭৫টি। ১০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ফলাফল পাওয়া গেছে মোট ১০৮টি ভোটকেন্দ্র থেকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত আসনগুলোর একটি ঢাকা-৮।
ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস এবং শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মধ্যে।
বাকি নয় জন প্রার্থী সব মিলিয়ে পেয়েছেন তিন হাজার ৮৫১টি ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত আসনগুলোর একটি ঢাকা-৮। ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষ হলেও বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে চারটা পর্যন্ত এই আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হয়নি।
ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস এবং শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মধ্যে।
নির্বাচনের আগ থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এই আসনটিকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে।
ভোটের দিন সকালেই উত্তেজনার সূচনা হয়। এনসিপি প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একটি কেন্দ্রে প্রবেশ করতে গেলে বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের সমর্থকদের বাধার মুখে পড়েন। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
সন্ধ্যার পর ভোট গণনা শুরু হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাত সাড়ে আটটার দিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে অভিযোগ দেন। তার সমর্থকেরা কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান নেন।
এর কিছুক্ষণ পর মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। তিনি নাসীরুদ্দীনের অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে ফলাফল যেন কোনোভাবে প্রভাবিত না হয় সে আহ্বান জানান। এসময় বিএনপির অন্তত দুই শতাধিক নেতাকর্মী কার্যালয়ের আশপাশে অবস্থান নেন।
পরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে অভিযোগ করেন, “ঢাকা-০৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ভোট কেন্দ্রে গিয়ে গিয়ে ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। এই অপচেষ্টা রুখে দিন, ফলাফল না আসা অবধি কেন্দ্র পাহারা দিন।”
জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত মির্জা আব্বাসের বিপরীতে জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও তরুণ ভোটারদের মধ্যে আলোচিত। ফলে এই আসনের লড়াইকে ঘিরে আগ্রহ ছিল তুঙ্গে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত এই আসনটি মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা নিয়ে গঠিত। এখানে মোট ভোটার দুই লাখ ৭৫ হাজার ৪৭১ জন।
ভোট গণনা শেষ হলেও ফল ঘোষণা বিলম্বিত হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক বিজয়ী হলেও হেরেছেন দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
পটুয়াখালী-৩ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি জোটের প্রার্থী নুরুল হক নূর। তার নির্বাচনী প্রতীক ছিলো ট্রাক।
তিনি পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৬৬টি ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসান মামুন ৮০ হাজার ৫৬০টি ভোট পেয়েছেন।
অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান নির্বাচন শুরুর আগে আগে দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন।
তারপরেও তিনি ঝিনাইদহ-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আবু তালেবের কাছে হেরেছেন। আবু তালেব পেয়েছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ৯৯টি ভোট, অন্যদিকে এই আসনের নির্বাচনে রাশেদ খান তৃতীয় অবস্থানে থেকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ২২৪টি ভোট।
জামায়াত জোট মনোনীত রিকশা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মো. মামুনুল হক ভোট বাতিল ও কারচুপির অভিযোগ জানাতে মধ্যরাতে নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত হন।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী মামুনুল হক ইসি ভবনে এসে জানান, তাঁর আসনের অন্তত ৫০টি কেন্দ্রে প্রায় ১ হাজার ২০০ ভোট বাতিল করা হয়েছে। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ১২৭টি আসনে কত ভোট বাতিল হয়েছে, তার সঠিক হিসাব এখনো জানা যাচ্ছে না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, একাধিক কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশে অস্বাভাবিক বিলম্ব হয়েছে, যা নিয়ে তাঁদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নিরাপত্তা জোরদারের মধ্যেই মামুনুল হকের এ অভিযোগকে ঘিরে ইসি ভবন এলাকায় বাড়তি সতর্কতা লক্ষ্য করা গেছে।
ঢাকা-১৩ আসনে মামুনুল হকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া ববি হাজ্জাজ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সারজিস আলম পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। জিতেছেন ধানের শীষ মার্কায় বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ নাওশাদ জমির।
পঞ্চগড়-১ আসনের সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ আসনে মোট ১৫৬টি কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে।
ইসির ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ নাওশাদ জমির পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯টি ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সারজিস আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯টি ভোট।
ফলে প্রায় ৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে মোহাম্মদ নাওশাদ জমির বিজয়ী হয়েছেন।
ইসি সূত্র জানায়, সব কেন্দ্রের ফল হাতে পাওয়ার পরই এ ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির শীর্ষ নেতা ও দলটির মুখপাত্র সালাহউদ্দিন আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯টি ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতা আব্দুল্লাহ আল ফারুখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৭২৮টি ভোট।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৩৭টি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচিত ব্যক্তিদের একজন, ২০১৫ সালের ১০ই মার্চ ঢাকার উত্তরা থেকে সালাহউদ্দিন নিখোঁজ হয়েছিলেন।
পরে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে স্থানীয় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
আটকের পর বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের অভিযোগে সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও ২০১৮ সালে তিনি খালাস পান, তবে সরকারের আপিলের কারণে তাঁকে সেখানেই থাকতে হয়।
দীর্ঘ নয় বছর ভারতে থাকার পর ২০২৪ সালের ১১ই অগাস্ট দেশে ফেরেন তিনি।
বিভিন্ন কেন্দ্রে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল কারচুপি করা হচ্ছে, এমন অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি দাবি করেন, যেসব আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন, সেসব আসনে তাদের হারাতে ফলাফল ট্যাম্পারিং করা হচ্ছে।
“কেন্দ্র থেকে এক ধরনের ফলাফল আসছে, আর রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে আরেক ধরনের ফলাফল দেওয়া হচ্ছে, এমন প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে,” বলেন তিনি।
ঢাকার কয়েকটি আসনে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণার আগেই বিএনপি প্রার্থীর নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করার ঘটনাকে ‘মানসিক চাপ সৃষ্টির চেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বেসরকারি ফলাফলে এনসিপি প্রার্থী এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও কিছু স্থানে মব সৃষ্টি করা হয়েছে।
শাপলা কলি প্রতীকের এক প্রার্থী বিএনপির প্রার্থীর চেয়ে বেশি ভোট পেলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা উল্টো ফল ঘোষণা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঢাকা-৮ আসনের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাতিল ভোট হিসেবে গণ্য হওয়ার কথা থাকলেও কিছু ব্যালট ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গণনা করা হয়েছে।
“ব্যালট পেপারে সঠিক জায়গায় সিল না থাকা সত্ত্বেও সেগুলো ধানের শীষের পক্ষে গণনা করে মির্জা আব্বাসকে জয়ী করার চেষ্টা চলছে,” দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা পরস্পরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ।
এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
উত্থাপিত অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে প্রতিটি বিষয় খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান এনসিপির মুখপাত্র। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে ভোট পুনর্গণনা করে পুনরায় ফলাফল ঘোষণা এবং সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশের আগে কোনো ফলাফল চূড়ান্ত না করার দাবি জানান তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।
সাতক্ষীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে ১৬৮ কেন্দ্রের মধ্যে ৮৭টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইজ্জত উল্লাহ এক লাখ ৮১৮টি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব পেয়েছেন ৮১ হাজার ২৮৩টি ভোট।
সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে ১৮০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক ৯২ হাজার ২৩৬টি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ পেয়েছেন ৪১ হাজার ৪১৭টি ভোট।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে ১৬৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯২টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হাফেজ মুহাঃ রবিউল বাশার ৯৮ হাজার ৪০২টি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহিদুল আলম ফুটবল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৪১১। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন পেয়েছেন ৩১ হাজার ৫০৩টি ভোট।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্জ আংশিক) আসনে ৯৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫০টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জি এম নজরুল ইসলাম ৫১ হাজার ৩৩৮টি ভোট পেয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৩৯টি ভোট।
ভোটের ফলে কী ধারণা পাওয়া যাচ্ছে? বিবিসি বাংলার লাইভ বুলেটিন ও বিশ্লেষণ।
বরিশাল জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে এখন পর্যন্ত ধানের শীষের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।
বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন ৯৯ হাজার ৪১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। আসনের ১২৯টি ভোটকেন্দ্রে তিনি এগিয়ে ছিলেন।
বরিশাল- ২ (বানারীপাড়া- উজিরপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ধানের শীষ প্রতীকে ৫৩ হাজার ৪৬৯টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মান্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৩২ হাজার ৩৮টি।
বরিশাল- ৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মজিবর রহমান সারওয়ার ৩৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামের প্রার্থী হাফেজ কামরুল ইসলাম খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীবে ভোট পেয়েছেন ৪৫ হাজার ১৪০।
ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর প্রতিটি কক্ষের ব্যালট বাক্সগুলো প্রার্থীদের এজেন্টদের সামনেই লক করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অথবা সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা। প্রার্থীদের এজেন্টদের সামনেই লক করা ওই ভোটের ব্যালট বাক্স ভোটকেন্দ্রের পূর্বনির্ধারিত গণনা কক্ষে নেওয়া হবে।
ভোটগ্রহণের সময় একটি ভোটকেন্দ্রে নারী পুরুষ আলাদা কয়েকটি কক্ষে ভোট অনুষ্ঠিত হলেও ভোট গণনার জন্য একটি কক্ষ নির্দিষ্টভাবে প্রস্তুত করা হয়।
সেই গণনা কক্ষে ওই আসনের প্রতি প্রার্থীর একজন করে পোলিং এজেন্ট উপস্থিত থাকতে পারবে। সেই সাথে সাংবাদিক, পর্যবেক্ষকরাও উপস্থিত থাকতে পারবেন। তাদের সামনেই যে ব্যালট বাক্সগুলোতে ভোট দেওয়া হয়েছে সেগুলো খোলা হবে, তাদের সামনেই বক্স নম্বর ও লক নম্বর মিলিয়ে নেয়া হবে।
এরপর প্রতি কক্ষের ব্যালট বাক্সগুলো একটা একটা করে লক খুলে ব্যালট পেপারগুলো মেঝেতে ঢালা হবে। এরপর পোলিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ভোট গণনা শুরু করবেন।
এরপর সংসদ নির্বাচনের সাদা ব্যালট আর গণভোটের গোলাপি ব্যালট আলাদা করে ফেলবেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা।
এরপর প্রতীক ভিত্তিক আলাদাভাবে টালি করে গণনা করা হবে ব্যালট। একই সময় গণভোটের আলাদা ব্যালটগুলোও হ্যাঁ এবং না- দুই ভাগে আলাদা করে সেগুলো সঠিকভাবে গণনা করবেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা।
রাজশাহী ১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে দাড়িপাল্লা ও ধানের শীষের দুই প্রার্থী।
এখন পর্যন্ত আসনটির ১৬০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৫৯টি কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে। বাকি রয়েছে একটি আসন।
সবশেষ ফলাফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান মাত্র ৭৭৪ ভোটে এগিয়ে আছেন।
তিনি পেয়েছেন, এক লাখ ৬৯ হাজার ৭৮৪ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন এক লাখ ৬৯ হাজার ১০টি ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা।
ঘোষিত ১০০ কেন্দ্রের ফলে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ২৬ হাজার ৮৩৪ ভোটে এগিয়ে আছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৫১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০০টির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে হাঁস প্রতীকের প্রার্থী রুমিন ফারহানা পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৯১ ভোট।
তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুরগাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৬৫৭ ভোট।
এ আসনে মোট নয় জন প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন আট জন। তবে ভোটের মাঠে মূল লড়াই সীমাবদ্ধ ছিল হাঁস ও খেজুরগাছ প্রতীকের মধ্যে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্যমতে, এ আসনে ভোট পড়েছে ৪৪ দশমিক আট শতাংশ। অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ফলাফল এখনো ঘোষণা হয়নি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার কার্যালয়ে স্থাপিত ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে মাইকে ফলাফল ঘোষণা করেন।
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, 'মাথাল' প্রতীকের প্রার্থী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৭৬ ভোট।
৫৫ হাজার ৩৬৬ ভোট বেশী পেয়ে জোনায়েদ সাকি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮৪ হাজার ৫৩১ জন। এবারের নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৬০৩টি, যা এই সংসদীয় আসনের মোট ভোটারের শতকরা ৫২ দশমিক ৫৮ ভাগ।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী বগুড়া-৬ আসনে বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।
মোট ১৫১টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রাপ্ত ১০১টি আসনের তথ্য অনুযায়ী ধানের শীষ মার্কায় তারেক রহমান এগিয়ে আছেন প্রায় ৭৭ হাজার ভোটে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৩ ভোট, অপরদিকে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় জামায়াত-ই-ইসলামী বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ আবিদুর রহমান।
বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপিকে এবারই প্রথম নির্বাচনী লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিলেন তারেক রহমান এবং একই সঙ্গে তিনি নিজেও এবারই প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
প্রায় সতের বছর পর তিনি ঢাকায় ফিরে এসেছেন ২০২৫ সালের ২৫শে ডিসেম্বর।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েকটি আসনের ভোটের ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
রাত পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত বেশ কিছু আসনে আমাদের জানামতে আমরা এগিয়ে আছি এবং গণনাও কমপ্লিট, কিন্তু স্থানীয়ভাবে যারা রিটার্নিং অফিসার আছেন তারা ঘোষণা দিচ্ছেন না, ঝুলিয়ে রেখেছেন। আমরা বুঝতে পারছি না এটা কেন?”
তিনি আরো অভিযোগ করেন, “ওয়েবসাইটে কে কয়টা আসন পেয়েছে সেটা দেওয়া হলো, মাঝখান থেকে উধাও হয়ে গেলো, আবার নাই। আমাদের লোকদের বসিয়ে রাখা হলো দীর্ঘসময়। এই একটু আগে ১০টা ১২টা কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছেন”।
ফলাফল বিলম্ব প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, “এই যে কিছু আসনে ইঁদুর বিড়াল খেলা। এমনকি ঢাকা ৮ আসন এখনো ঝুলে থাকবে কেন, সেখানে কী হচ্ছে? এটা আপনারা সাংবাদিকরা জানেন। এই বিষয়গুলো সুস্থ ধারার রাজনীতির পরিচয় বহন করে না।”
নির্বাচন কমিশনের প্রতি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন আশ্বাস দিয়েছে তারা ১৩ তারিখের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল জানাবে। "আমরা সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি, তারা দেন কি না। যদি দিয়ে থাকেন ভালো। না দিলে আমরা সঙ্গত সীমা পর্যন্ত অপেক্ষা করবো"।
এই সামগ্রিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে নিজেদের চূড়ান্ত দৃষ্টিভঙ্গী প্রকাশ করার কথা জানান তিনি।
তবে তারা তাদের নির্বাচনী আচরণ ইতিবাচক রাখবেন জানিয়ে বলেন, “আমরা ইতিবাচক ধারা রাজনীতি করতে চাই। রাজনীতি যদি দেশের মানুষের জন্য হয় তাহলে এটা মেনে নিতে হবে। পাস করার গ্যারান্টি নিয়ে কোনো রাজনীতি হয় না।”
এছাড়া বেসরকারি ফলাফলে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হওয়া নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।