আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

নিরাপদ করিডোরের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও রুশ বোমাবর্ষণ চলছেই- ইউক্রেন

যুদ্ধবিরতের লক্ষ্যে দুই পক্ষের মধ্যে তৃতীয় দফা বৈঠকের দিন ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে দাবি মেনে নিলেই সাথে সাথে ইউক্রেনে সামরিক তৎপরতা বন্ধ করবে রাশিয়া। অন্যদিকে, ইউক্রেন অভিযোগ করছে কিয়েভ এবং খারকিভের মত শহর থেকে নিরাপদে সরে যাওয়ার পথগুলো রাশিয়া এবং বেলারুশমুখী।

সরাসরি কভারেজ

সায়েদুল ইসলাম

  1. রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সর্বশেষ খবরাখবরের লাইভ রিপোটিং আজকের মত এখানেই শেষ করছি। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

  2. দ্বাদশ দিন : ইউক্রেনের কোথায় কি হচ্ছে

    -রাজধানী কিয়েভের শহরতলি ইরপিনে রুশ সৈন্যরা ক্রমাগত বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু শহরের প্রশাসন জানিয়েছে নদীর ওপর বানানো অস্থায়ী সেতু দিয়ে ২০০০ মানুষ শহর ছেড়ে চলে যেতে পেরেছে।

    -কিয়েভের কাছে আরেকটি ছোট শহর হোসটোমেলের স্থানীয় সরকার জানিয়েছে রুটি এবং ওষুধ বিতরণের সময় গুলিতে শহরের মেয়র ইউরি প্রাইলিপকো মারা গেছেন। কৌশলগত-ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হোসটোমেল এয়ারফিল্ডটি এই শহরের কাছে।

    - ইউক্রেনের দক্ষিণে, মিকোলাইভ শহরটি নতুন করে রুশ হামলার মুখে পড়েছে। ইউক্রেন জানিয়েছে রাতে শহরের আবাসিক এলাকায় কামানের গোলা এসে পড়েছে। শহরটি ক্রাইমিয়া এবং ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় বন্দর শহর ওডেসার মাঝামাঝি জায়গায়।

    - অবরুদ্ধ বন্দর শহর মারিউপোলে বিদ্যুৎ ও পানির লাইন বিচ্ছিন্ন। আটকে পড়া হাজার হাজার মানুষ পানি ও খাদ্যের চরম সংকটে পড়েছে। শহর থেকে পালানো একটি পরিবারের সদস্যরা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন “শহরের সর্বত্র মৃতদেহ পড়ে রয়েছে।“ মারিউপোলের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে ক্রাইমিয়া এবং বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া লুহানস্ক এবং দনিয়েস্কের মধ্যে সরাসরি স্থল যোগাযোগ তৈরি করতে সমর্থ হবে রাশিয়া।

    - যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে তৃতীয়বারের মত বৈঠকে বসেছেন রুশ এবং ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। বৈঠকের আগে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে দাবি মানা হলে মূহুর্তের মধ্যে সামরিক অভিযান বন্ধ করা হবে। অন্যদিকে, বৈঠকে ইউক্রেনের একজন প্রতিনিধি, মিখাইলো পোডোলিয়াক, বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা বন্ধের জন্য রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এর আগে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, তার দেশের “জনগণের হত্যাকারীদের কোনোদিন ক্ষমা করা হবেনা, শাস্তি তাদের পেতেই হবে”

  3. ইউক্রেনে ব্রিটিশ দূতাবাসে তালা, চলে গেছেন রাষ্ট্রদূত

    “মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকির” কারণে ইউক্রেনে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত সেদেশ ছেড়ে চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস।

    ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পরপরই ব্রিটিশ দূত মেলিন্দা সিমনস্‌ এবং তার অল্প যেকজন সহকর্মী তখনও দূতাবাসে কাজ করছিলেন তারা রাজধানী কিয়েভে ছেড়ে পোল্যান্ডের সীমান্তের কাছে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ শহর লাভিবে চলে যান।

    কিন্তু ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত এখন লাভিব থেকেও চলে গেছেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন ইউেক্রনে এখন ব্রিটিশ দূতাবাসের সমস্ত অফিস বন্ধ।

  4. ক্রাইমিয়াকে রাশিয়ার অংশ বলে মানতে হবে ইউক্রেনকে – ক্রেমলিন

    রাশিয়া বলেছে ইউক্রেন তাদের দাবী মানলে সাথে সাথেই সামরিক অভিযান বন্ধ করা হবে।

    রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলছেন ক্রাইমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসাবে মানতে হবে ইউক্রেনকে।

    সেই সাথে, তিনি বলেন, ইউক্রেনের বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া লুহানস্ক এবং দনিয়েস্ক অঞ্চল দুটোকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে মেনে নিতে হবে।

    মি পেসকভ রাশিয়ার অন্যতম প্রধান দাবির পুনরুল্লেখও করেছেন - ইউক্রেন নেটো বা অন্য কেনো জোটের অংশ হতে পারবে না, এবং সে ব্যাপারে দেশের সংবিধান সংশোধন করতে হবে।

    তিনি বলেন, এসব দাবি মেনে নিলে এই মুহূর্তে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান বন্ধ করে দেবে রাশিয়া।

    তবে, মি পেসকভ বলেন, রাশিয়া অবশ্যই ইউক্রেনের ‘নিরস্ত্রীকরণ’ নিশ্চিত করবে।

    ক্রেমলিনের মুখপাত্র এমন দিনে রাশিয়ার এসব দাবি নতুন করে তুলে ধরলেন যেদিন দুই দেশের প্রতিনিধিরা যুদ্ধ বিরতির লক্ষ্যে আজ বেলারুশে তৃতীয়বারের মত বৈঠক করছেন।

    জানা গেছে বৃহস্পতিবার দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে তুরস্কের আনাতলিয়ায় মুখোমুখি একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

  5. প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সাথে ‘সরাসরি কথা’ বলতে পুতিনের প্রতি আহ্বান মোদীর

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সাথে ‘সরাসরি কথা’ বলার জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    ভারতের সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এই খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টর্স।

    “ইউক্রেন এবং রুশ প্রতিনিধিদলের মধ্যে যে শান্তি আলোচনা চলছে তার অগ্রগতি সম্পর্কে মি পুতিন প্রধানমন্ত্রী মোদীকে জানিয়েছেন,” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ সূত্রকে উদ্ধৃত করে বলছে রয়টর্স।

    ভারতের এনডিটিভি জানাচ্ছে দুই নেতা টেলিফোনে ৫০ মিনিট ধরে কথা বলেন।

    এর আগে, মি মোদী ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সাথেও টেলিফোনে কথা বলেন।

  6. নো ফ্লাই জোন কী, কেন পশ্চিমা মিত্ররা আরোপ করতে চাইছে না?

  7. ব্রেকিং, তুরস্কে দেখা করবেন রুশ ও ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এবং ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা বৃহস্পতিবার তুরস্কের আনাতলিয়ায় বৈঠক করবেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

    ওদিকে, দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে তৃতীয় দফার শান্তি বৈঠকটি আর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে (কিয়েভ সময় বিকের ৪টা) শুরু হতে যাচ্ছে।

  8. যুক্তরাষ্ট্র এবং মিত্ররা নেটোর বিরুদ্ধে “যে কোনো হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুত”- ব্লিনকেন

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিক লিথুয়ানিয়া সফরে গিয়ে বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র নেটো জোটের সদস্যগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করছে যাতে তারা “যে কোনো হুমকি মোকাবেলা” করতে পারে।

    তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে অতিরিক্ত সাত হাজার সৈন্য পাঠাচ্ছে, এবং নেটোর পূর্ব-প্রান্তের দেশগুলোতে সৈন্য মোতায়েনে দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে।

    মি ব্লিনকেন বলেন, “একটি সদস্য দেশের ওপর হামলা জোটের সব সদস্যের ওপর হামলা” বলে বিবেচনার যে কথা নেটো চার্টারের পঞ্চম ধারায় বলা রয়েছে তার প্রতি আমেরিকার অবিচল প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

    “নেটো অঞ্চলের প্রতিটি ইঞ্চি আমরা রক্ষা করবো,” বলেন মি ব্লিনকেন।

    ইউক্রেনে রুশ হামলার কারণে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকগুলো বিশেষ করে বাল্টিক সাগর তীরবর্তী তিনটি দেশ – লিথুয়ানিয়া, লাতভিয়া এবং এস্তোনিয়া – চরম উদ্বেগে পড়েছে। তাদের ভরসা দিতে ঐ এলাকার কয়েকটি দেশে সফরে গেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

  9. তৃতীয় দফা শান্তি বৈঠকে রওয়ানা হয়েছে রুশ প্রতিনিধিদল

    ইউক্রেনের সাথে তৃতীয় দফা অলোচনার জন্য রুশ প্রতিনিধিদল মস্কো থেকে বেলারুশে রওয়ানা হয়েছে বলে স্পুটনিক বেলারুশ সংবাদ সংস্থাকে উদ্ধৃত করে খবর দিচ্ছে রয়টর্স বার্তা সংস্থা।

    আজ (সোমবার) তৃতীয় বৈঠকটি হওয়ার কথা।

    ইউক্রেনের যেসব জায়গায় যুদ্ধ চলছে সেখান থেকে বেসামরিক লোকজনকে নিরাপদ জায়গায় চলে যাওয়ার সুযোগ তৈরির জন্য মানবিক করিডোর খোলার ব্যাপারে গত সপ্তাহের বৈঠকে মীমাংসা হয়।

    কিন্তু সেই করিডোর নিশ্চিত করতে যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি দরকার তা পালন না করার জন্য দুই পক্ষ পরস্পরকে দায়ী করছে।

    রাশিয়া বলছে তারা মোট ছয়টি মানবিক করিডোর খুলেছে, কিন্তু ইউক্রেন সরকার অভিযোগ করছে এসব করিডোরের সবই রাশিয়া এবং বেলারুশ-মুখী।

  10. রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সর্বশেষ খবরাখবরের লাইভ রিপোর্টিংয়ে এতক্ষণ আপনাদের সাথে ছিলেন সায়েদুল ইসলাম। এখন আপনাদের সাথে যোগ দিচ্ছি শাকিল আনোয়ার

  11. ইউক্রেনের যুদ্ধে বিশ্ব জুড়ে বেড়ে যাচ্ছে খাদ্যপণ্যের দাম, এমা সিম্পসন, বিজনেস করেনপনডেন্ট

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি, জারা ইন্টারন্যাশনালের প্রধান সুভেইন টোর হোলসেথের বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব জুড়ে খাবারের সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে এবং দাম বেড়ে যাচ্ছে।

    গ্যাস সংকটের কারণে আগে থেকেই চড়া দামে থাকা সারের দাম যুদ্ধে আরও বেড়েছে।

    বিশ্বের ৬০টি দেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী জারা রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল কিনে থাকে।

    ''যুদ্ধের আগে থেকেই আমরা কঠিন পরিস্থিতিতে ছিলাম। কিন্তু এখন সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন সংকট তৈরি হয়েছে,'' তিনি বলেছেন।

  12. রাশিয়া জুড়ে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, প্রায় সাড়ে চার হাজার আটক

    রাশিয়াজুড়ে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ থেকে রবিবার চার হাজার তিনশ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির মানবাধিকার কর্মী এবং কর্তৃপক্ষ।

    এর মধ্যে সতেরশো ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে শুধু মস্কো থেকে।মোট ৫৩টি শহর থেকে বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিককালে রাশিয়াতে বিক্ষোভের উপর নানারকম বিধি-নিষেধ আরোপ করা সত্ত্বেও ইউক্রেনে হামলার প্রতিবাদে বহু বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  13. নেটোতে যোগ দিতে ফিনল্যান্ডের জনগণ কেন আগ্রহী হয়ে উঠছে

    ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের পর বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো থেকে শুরু করে মলদোভা পর্যন্ত রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভয় ঢুকে গেছে।

    তাত্ত্বিকভাবে হলেও ফিনল্যান্ড নিরাপদ হওয়া উচিত, কারণ এটি ঐতিহাসিকভাবে নিরপেক্ষ একটি দেশ। এছাড়াও ১৯৩৯ সালে স্তালিনের সোভিয়েত সেনাবাহিনী ফিনল্যান্ডে আক্রমণ করলে তার বাহিনীকে বেশ কঠিন সময় পার করতে হয়েছিল।

    সুইডেনসহ স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর জনগণের মধ্যে নেটোর সামরিক জোটে যোগদানের জন্য কখনোই খুব বেশি সমর্থন ছিল না।

    কিন্তু ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর সেই মনোভাবে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।

  14. মারিউপোল থেকে বের হবার পথে মাইন বসানো: রেডক্রস

    ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দি রেড ক্রস (আইসিআরসি) পরিচালক (অপারেশন্স) ডোমিনিক স্টিলহার্ট বিবিসির রেডিও ফোরকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

    তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে, মানবিক করিডোর নিয়ে আসলে কী সমস্যা হয়েছে?

    তিনি বলেছেন, গত কয়েকদিন ধরেই তারা রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন যে, কীভাবে একটি যুদ্ধবিরতির বিষয়ে সমঝোতা করা যায়। যাতে বেসামরিক মানুষ বোমা হামলার মুখে থাকা শহরগুলো থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। কিন্তু দুই পক্ষের মধ্যে 'পরিষ্কার, কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট' একটি সমঝোতা তৈরি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

    তিনি বলেছেন, নীতিগতভাবে দুই পক্ষ একমত হয়েছিল। কিন্তু কোন পথে কারা যাবে, তা নিয়ে দ্বিমতের জের ধরে সেই সমঝোতা আর টেকেনি।

    তিনি বলেছেন, রবিবার আইসিআরসির কিছু মারিউপোলের একটি পথ দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তারা বুঝতে পারেন যে, ''তারা যেদিকে যাচ্ছেন, সেখানে রাস্তায় মাইন পোতা রয়েছে।''

    ''সুতরাং এখন এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, দুই পক্ষ এমন একটি সুনির্দিষ্ট সমঝোতায় পৌঁছাবে, যা আমরা সেখানে কার্যকর করতে পারবো।''

  15. রাশিয়ার করিডোর প্রস্তাব 'পুরোপুরি অনৈতিক': ইউক্রেন

    ইউক্রেন বলছে, মানবিক করিডোরের নামে শরণার্থীদের বেলারুশ অথবা রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়ার রাশিয়ান প্রস্তাব 'পুরোপুরি অনৈতিক'।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদামির জেলেনস্কির একজন মুখপাত্র বলেছেন, ইউক্রেনের বাসিন্দাদের তাদের বাড়িঘর ছেড়ে ইউক্রেনের ভূখণ্ডের ভেতর দিয়েই যাতায়াত করার সুযোগ থাকা উচিত।

    ''এটা 'পুরোপুরি অনৈতিক' একটি ব্যাপার। মানুষের দুর্দশাকে ব্যবহার করে টেলিভিশনের গল্প তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে,'' বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে একটি লিখিত বিবৃতিতে বলেছেন ওই মুখপাত্র।

    এদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, বেসামরিক নাগরিকদের বেলারুশ বা রাশিয়ায় চলে যেতে সুযোগ করে দেয়ার জন্য ফরাসি প্রেসিডেন্ট অনুরোধ করেছেন বলে যে কথা প্রচাার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়।

    ''প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাপচারিতায় ফরাসি প্রেসিডেন্ট রাশিয়ায় যাওয়া কোন করিডোরের জন্য প্রস্তাব করেননি। তিনি বেসামরিক মানুষজনকে (যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে) যেতে দেয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করেছেন এবং জরুরি সহায়তা নিয়ে যানবাহন যেতে দিতে বলেছেন।''

    ''নিজের মতো করে ঘটনা ব্যাখ্যা করতে এটা প্রেসিডেন্ট পুুতিনের আরেকটি চেষ্টা। তিনি দেখাতে চান, দেখো, ইউক্রেনই আগ্রাসী আর তারাই সবার জন্য আশ্রয় দিচ্ছে।''

  16. যুদ্ধবিরতির 'মানবিক করিডোর' বেলারুশ অথবা রাশিয়ার দিকে গেছে

    ইউক্রেনের কয়েকটি শহরের বেসামরিক বাসিন্দাদের সরে যেতে সুযোগ করে দিতে যে কয়েকটি মানবিক করিডোরের ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া, সেগুলো বেলারুশ অথবা রাশিয়ার দিকে গেছে বলে জানা যাচ্ছে।

    রাশিয়ার আরআইএ নভোস্তি বার্তা সংস্থা যে রুটগুলো প্রকাশ করেছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, বেসামরিক বাসিন্দাদের শহর ছাড়ার এসব পথ হয় বেলারুশ অথবা রাশিয়ার দিকে রয়েছে।

    কিয়েভ থেকে বের হওয়ার যে পথ দেখানো হয়েছে, সেটি গেছে রাশিয়ার মিত্র দেশ বেলারুশে। খারকিভ থেকে বের হওয়ার একটি পথ রয়েছে আর সেটি রাশিয়ায় চলে গেছে। তবে মারিউপোল এবং সুমি থেকে বের হওয়ার যে পথগুলো দেখানো হয়েছে, সেসব পথ ইউক্রেনের অন্য শহরের পাশাপাশি রাশিয়ার দিকেও গেছে।

    এই টুইটে বলা হচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ খবর হচ্ছে, বের হওয়ার পথগুলো হয় বেলারুশ অথবা রাশিয়ার দিকে গেছে।

  17. যুদ্ধ থেকে বেঁচে গেলেও দেশে ফিরতে চান না ইউক্রেন প্রবাসী বাংলাদেশি

  18. পুতিনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কারা এবং যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব কাদের ওপর?

    ভ্লাদিমির পুতিনকে দেখলে একজন নিঃসঙ্গ মানুষ বলে মনে হয়। তিনি রাশিয়ার সামরিক বাহিনীকে এমন ঝুঁকিপূর্ণ একটি যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছেন, যা তার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে ফেলতে পারে।

    কমান্ডার ইন চীফ বা সর্বোচ্চ অধিনায়ক হিসাবে, যেকোনো ধরণের যুদ্ধাভিযানের চূড়ান্ত দায়িত্ব তার উপরেই বর্তায়। তবে তিনি এক্ষেত্রে সবসময় তার অত্যন্ত অনুগত কিছু লোকজনের উপর নির্ভর করেন, যাদের মধ্যে অনেকেই রাশিয়ার নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থায় তাদের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন।

  19. চাউহিউভ পুনরুদ্ধার করার দাবি ইউক্রেনের বাহিনীর

    ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে, রাশিয়ার সৈন্যদের হটিয়ে পূর্বাঞ্চলীয় শহর চাউহিউভ পুনরায় নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তাদের বাহিনী।

    একটি ফেসবুক বার্তায় ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার সৈন্যদের হটিয়ে তাদের বাহিনী পুরনায় শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। যুদ্ধে রাশিয়ার বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও তারা দাবি করেছে।

    সেই সময় লড়াইয়ে রাশিয়ার দুইজন উচ্চপদস্থ কমান্ডার নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন।

    চাউহিউভ শহরে ৩১ হাজার মানুষ বসবাস করে।

    তবে তাদের এই দাবি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে দেখতে পারেনি বিবিসি।

    ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের ২৩ মাইল দূরত্বে থাকা চাউহিউভ কৌশলগতভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। গত এক সপ্তাহ ধরেই শহরটির ওপর ভারী গোলাবর্ষণ করছিল রাশিয়ার বাহিনী।

  20. ব্রেকিং, বেসামরিক বাসিন্দাদের সরে যেতে চার শহরে যুদ্ধবিরতি রাশিয়ার

    বেসামরিক মানুষদের সরে যেতে সুযোগ দেয়ার জন্য ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি শহরে সাময়িকভাবে গোলাগুলি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া।

    রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মস্কোর সময় সকাল ১০টা (বাংলাদেশ সময় দুপুর একটা থেকে) এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।

    রাজধানী কিয়েভ, খারকিভ, মারিউপোল এবং সুমি শহরের জন্য এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে।

    এই চারটি শহর বর্তমানে সবচেয়ে বেশি রাশিয়ার হামলার শিকার হচ্ছে।

    তবে এই যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে কোন তথ্য জানানো হয়নি।

    এ সপ্তাহেই মারিউপোল শহর থেকে বেসামরিক বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে দুই দফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল, যদিও কোনটি কার্যকর হয়নি।

Trending Now