পত্রিকা: 'তেল সরবরাহ কমেছে ৪৫%, কোথাও পাম্প বন্ধ, কোথাও লাইন'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এই খবরে বলা হয়েছে, কোটা নীতির কারণে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ প্রায় ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পাম্প মালিক ও পরিবেশকরা।

তারা বলছেন, কাগজে সরবরাহ কমানো হয়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। বাস্তবে তা আরও বেশি কমে গিয়ে বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে।

মাঠের চিত্রেও তাদের কথার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

এদিকে, সরকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা দিলেও মাঠ পর্যায়ে এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। দেড়-দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছে।

মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় অনেক পাম্প এক বেলা বন্ধ রাখা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে তেল কেনা নিয়ে মারামারির ঘটনাও ঘটেছে।

পরিস্থিতি সামলাতে এবার সরকারি ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ডিপো খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বিপিসি।

এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলে শত ডলার পেরিয়েছে। বেড়েছে এলএনজির দামও।

দাম বাড়ায় আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের জ্বালানি কিনতে খরচ বেশি হচ্ছে। এপ্রিল-মে মাসের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে অর্থ বিভাগের কাছে ৩১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা চেয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

সমকাল
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— 13th JS maiden session begins amid walkout; অর্থাৎ ওয়াকআউটের মধ্য দিয়ে ১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু।

এই খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারও প্রায় ২০ মাস আগে অর্থাৎ চব্বিশের ৩ জুলাইয়ে বিগত সংসদের সবশেষ অধিবেশন বসেছিল।

নতুন সংদের প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণের বিরোধিতা করে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও ওয়াকআউট করেন। এতে উত্তাপ ছড়ায় সংসদে।

যদিও সংসদের সব গঠনমূলক কাজে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বিরোধী দল।

স্পিকার না থাকায় তার চেয়ার ফাঁকা রেখে শুরু হয় সংসদের কার্যক্রম। এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ। তিনি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে যথাক্রমে হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও কায়সার কামালের মনোনয়ন পাওয়ার কথা জানিয়ে ভোটে দেন। কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। পরে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেন।

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর সংসদে শোক প্রস্তাব আনা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন এবং স্পিকারের অনুপস্থিতিতে জাতীয় সংসদ অধিবেশন পরিচালনার জন্য পাচ সদস্যের প্যানেল মনোনীত করা হয়।

তখন সংসদ ছিল প্রাণবন্ত। তবে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় সংসদ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

নিউ এইজ

প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি শিরোনাম— সময়ের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যও পাল্টে যায়। এটি মূলত সংবাদ বিশ্লেষণ।

এতে বলা হয়েছে, তিন বছরের মধ্যে তিনটি ভিন্ন সরকারের সময়ে তাদের প্রশংসা করে বক্তব্য দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। যদিও সরকারগুলো একই রাজনৈতিক ধারার নয়।

যে রাষ্ট্রপতিকে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ সরকারের অনুগত হিসেবেই দেখা হয়েছে, তার ভাষণে এবার ভিন্ন সুর।

তিনি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলেছেন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শেখ হাসিনার শাসনকে ফ্যাসিবাদী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন যখন সংসদে ফ্যাসিবাদী সরকারের কথা বলছিলেন, তখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির সংসদ সদস্যদের টেবিল চাপড়ে সমর্থন করতে দেখা যায়। তবে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় জামায়াত ও এনসিপি ওয়াকআউট করে বেরিয়ে যায়।

রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের সঙ্গে দুই বছর আগের অবস্থানের তীব্র বৈপরীত্য রয়েছে।

তিনি ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছিলেন। তখন তিনি ৭ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলোর তীব্র সমালোচনা করেছিলেন।

বিএনপি ও জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, একটি মহল সহিংসতা সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের যাত্রাপথে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছে।

তখন তিনি বক্তৃতা শেষ করেছিলেন, 'জয় বাংলা' বলে। এবার শেষ করেছেন 'বাংলাদেশ জিন্দাবাদ' বলে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে বিতর্কের একটি কারণ হলো, এর প্রকৃতি। সাধারণত এই ভাষণ রাষ্ট্রপতি নিজে লেখেন না; এটি সরকার বা মন্ত্রিসভা প্রস্তুত করে। রাষ্ট্রপতি সংসদে তা পাঠ করেন এবং পরে সেই ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হয়; কিন্তু এবারের সংসদ গঠিত হয়েছে এক ভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতায়।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও সিমেন্ট উৎপাদন খাতে কাঠামোগত অতিরিক্ত সক্ষমতা ও উদ্বৃত্ত উৎপাদনের লক্ষণ রয়েছে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় পণ্য বাণিজ্যে বাংলাদেশের ৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের উদ্বৃত্ত সে চিত্রই তুলে ধরে বলে মনে করছে দেশটি।

এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশসহ মোট ১৬টি অর্থনীতিকে নিয়ে বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)।

এ নিয়ে গত বুধবারে সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার উৎপাদন খাতের কাঠামোগত অতিরিক্ত সক্ষমতা ও উদ্বৃত্ত উৎপাদন-সংক্রান্ত বিষয়ে ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(খ) ধারার অধীনে বিভিন্ন অর্থনীতির কর্মকাণ্ড, নীতি ও চর্চার ওপর তদন্ত শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন।

এ তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওই কর্মকাণ্ড, নীতি ও চর্চাগুলো অযৌক্তিক বা বৈষম্যমূলক কি না এবং সেগুলো মার্কিন বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত বা সংকুচিত করছে কি না তা যাচাই করা হবে।

তদন্তের আওতাভুক্ত অর্থনীতিগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, কোরিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, বাংলাদেশ, মেক্সিকো, জাপান ও ভারত।

বণিক বার্তা

দ্য বিজনেস স্ট্যার্ন্ডাডের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম— US probes Bangladesh's export incentives, BGMEA 'uncomfortable'; অর্থাৎ বাংলাদেশের রপ্তানি প্রণোদনা নিয়ে তদন্ত করবে যুক্তরাষ্ট্র, বিজিএমইএ বলছে 'অস্বস্তিকর'।

এই খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্তে বাংলাদেশের নাম আসাটা অস্বস্তিকর ও ভিত্তিহীন বলছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

তবে এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তারা অতিরিক্ত শুল্কারোপ করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিজিএমইএ'র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

তার মতে, বাংলাদেশে রফতানি প্রণোদনা খুবই কম।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের (ইউএসটিআর) বিবৃতি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় পণ্য বাণিজ্যে ৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার উদ্বৃত্তের নেতৃত্বে রয়েছে টেক্সটাইল খাতের রফতানি। বাংলাদেশ সরকার অভ্যন্তরীণ বস্ত্র ও চামড়াজাত পণ্যসহ ৪৩টি খাতে রফতানির বিপরীতে নগদ প্রণোদনা প্রদান করে।

এতে আরো বলা হয়, উল্লেখযোগ্য অতিরিক্ত সক্ষমতা নিয়ে বাংলাদেশের সিমেন্ট শিল্প কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে মন্দার মধ্যে লড়াই করছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের সিমেন্টের মোট ব্যবহার (ন্যাশনাল কনজাম্পশন) ৩ কোটি ৮০ লাখ টন, যা মোট সক্ষমতার ৪০ শতাংশেরও কমে নেমে এসেছে। ২০২৫ সালে তা আরো কমেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য রপ্তানি করে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাতই সবচেয়ে বড় অংশজুড়ে রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার এই খাতে নগদ প্রণোদনা দিলেও তা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অতিরিক্ত উৎপাদন বা বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেনি।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— দিনে আটকা ২৫০ টন রপ্তানি পণ্য

এতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে ঢাকা থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ টন রপ্তানি পণ্য আটকা পড়ছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় এসব পণ্য দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে অতিরিক্ত প্রায় ৭৫টি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সূত্র বলেছে, নিয়মিত ফ্লাইট ব্যাহত হওয়ায় তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্যের চালান বিমানবন্দরে আটকে পড়ায় ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। নির্ধারিত সময়ে পণ্য না পেয়ে ক্রেতারা বিমুখ হলে রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তাই ব্যবসায়ীদের আবেদন বিবেচনায় অতিরিক্ত কার্গো ফ্লাইটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রপ্তানি ঠিক রাখতে প্রয়োজনে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হবে।

আজকের পত্রিকা

বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর-কনেসহ নিহত ১৪— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর স্টাফ বাস ও বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বর-কনেসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছে। বর-কনের পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় খুলনা-মোংলা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোংলা থেকে ছেড়ে আসা নৌবাহিনীর একটি স্টাফ বাস রামপালের বেলাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা মোংলাগামী মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় গাড়ির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই কমপক্ষে চারজন নিহত হয়।

কালের কণ্ঠ

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের পাল্টা হামলার ঘটনার পর থেকে সৌদি আরব, দুবাই, লেবানন, কাতার, কুয়েতসহ অন্যান্য দেশে থাকা বাংলাদেশিরা চতুর্মুখী সঙ্কটে।

কোনো দেশে চাকরি হারানো, কোনো দেশে কর্মীর কোম্পানিতে চাকরি থাকলেও মিলছে না ঠিকমতো বেতন-ভাতা, আবার কোনো দেশে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় অনেক প্রবাসীকর্মী বিমানের টিকিট কেটেও দেশে ফিরতে পারছেন না। তাতে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

যুদ্ধবিধ্বস্তের মধ্যে আবার কোনো কোনো দেশে প্রবাসীদের স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হলেও তাদের লাশও ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ দেশে পাঠাতে পারছে না।

বাধ্য হয়ে পরিবারের সম্মতি নিয়ে ওই প্রবাসীর লাশ স্থানীয়ভাবেই দাফন করে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নয়া দিগন্ত

ইরান নিয়ে গোলকধাঁধায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল— দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, টানা দুই সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বোমাবর্ষণ সত্ত্বেও ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো যথেষ্ট সুসংগঠিত।

দেশটির নেতৃত্ব শিগগিরই ভেঙে পড়ার বা পতনের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

ইসরায়েলও বলছে, ইরানে ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার নিশ্চয়তা দেখছে না তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও তেল আবিব মনে করছে, এখনো এ যুদ্ধ বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার কাছাকাছি পৌঁছায়নি ওয়াশিংটন।

এদিকে, যুদ্ধ বন্ধ করতে ভবিষ্যৎ আগ্রাসন বন্ধে আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ ও ইরানের বৈধ অধিকারগুলোর স্বীকৃতির শর্ত দিয়েছে ইরান।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ যুদ্ধ শুরু থেকেই পরিকল্পনামাফিক এগোয়নি। পরিকল্পনা ছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং ধর্মীয় ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর যত বেশি সম্ভব শীর্ষ নেতাকে হত্যা করা, যাতে ইরানে ক্ষমতাসীনরা দুর্বল হয়ে পড়েন এবং তাদের ইসলামি শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। কিন্তু এ পরিকল্পনা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে।

এর সঙ্গে আছে যুদ্ধের বিপুল ব্যয় ও আন্তর্জাতিক চাপ। সব মিলিয়ে চলমান এ যুদ্ধের প্রায় দুই সপ্তাহ পর এসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একটি গোলকধাঁধায় পড়েছে।

দেশ রূপান্তর