সংশোধিত আকারে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল পাস, বিরোধী দলের ওয়াকআউট

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। প্রস্তাবিত বিলের দুটি ধারায় সংশোধন আনা হয়েছে।
তবে শেষ মুহূর্তে এই সংশোধনী আনায় সরকারি দলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন জামায়াত ও এনসিপিসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
সংশোধন দুইটির একটি হলো, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এবং অন্যটি হলো, সরকার চাইলে যেকোনো সময় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের অপসারণ করতে পারবে।
এই দুইটি সংশোধনী নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রায় ৪০ মিনিটের বিতর্ক চলে।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই জাদুঘরের বিষয়ে বিশেষ কমিটিতে আলোচনার মাধ্যমে যে ঐকমত্য হয়েছিল, সরকার সেই অবস্থানে না থেকে বিলে পরিবর্তন এনেছে।
প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতি পদে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কাউকে দায়িত্ব দেয়ার কথা ছিল।
সংস্কৃতিমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীকে সভাপতি করার মাধ্যমে জুলাই জাদুঘরকেও দলীয়করণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম।
এর জবাবে সংসদে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, পরিচালনা পর্ষদে থাকা কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কোনো সুযোগ অর্ডিন্যান্সে ছিল না।
সরকারের বাহিরে থাকা কারও পরামর্শেই জবাবদিহিতার জায়গা নিশ্চিতের জন্য এই সংশোধনী আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
রাত ১২টার মধ্যে বিল পাসের তাগাদা থাকার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মন্ত্রী। একইসাথে, পরবর্তী সময়ে এনিয়ে আরও আলোচনার সুযোগ আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জিজ্ঞেস করেন, বিশেষ কমিটিতে আলোচনার পরও শেষ মুহূর্তে কেন এই পরিবর্তন আনা হলো। আর মন্ত্রী এখন বিল পাসের ক্ষেত্রে ঘড়ির কাঁটা দেখাচ্ছেন, তাহলে পরবর্তী সময়ে আবার কীভাবে আলোচনা হবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।















